1. admin@coxbdc.com : admin :
কক্সবাজারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমুহের কেমন যাচ্ছে হালচাল! - Cox’s Bazar Blood Donating Club - CBDC
মানবতার পরিবারে অভিবাদন
  • যোগাযোগ
  • ০১৬৩২-৯১৬১৫০
  • ইমেইল
  • cbdc2010@gmail.com
  • অফিস
  • মঞ্জুর প্লাজা ৩য় তলা, পানবাজার রোড, পৌরসভা, কক্সবাজার -৪৭০০
    • প্রকাশিত | ১৫-১১-২০২০
    কক্সবাজারের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমুহের কেমন যাচ্ছে হালচাল!

    আমাদের কিছু সংখ্যক বন্ধুমহলের পদভার থাকতো হাসপাতাল রোডে, সে সুবাদে দেখতে পেতাম রক্তের জন্য মানুষ কতটা অসহায় অবস্থায় হর্ন হয়ে দিকবিদিক রক্ত খোজাখুজি করতো। যদিও সন্ধানী, মেডিসিন ক্লাব কিছুটা যোগান দিতো কিন্তু এতে চাহিদা মেটাতে সমর্থ হতোনা। তারমধ্যে পেশাদার রক্তদাতার উৎপাত ছিল বেশি বলা চলে তাদের সোনালী সময়। দালাল ছাড়া রক্ত ব্যবস্থা করা অসম্ভব ছিলো প্রায়।

    আমার এখানো মনে পড়ে একব্যাগ এ নেগেটিভ রক্তের জন্য ১৫শ টাকা দিয়েছিলাম।

    আরো কত অসংগতি বলে শেষ করা যাবে না।
    এগুলা দেখতে দেখতে কেন যেনো মনে হলো রক্তের অভাবে ভোগা মানুষ গুলার জন্য কিছু করা দরকার।

    সে চিন্তা থেকে সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২/১৩সালের থেকে ব্লাড ম্যানেজ নিয়ে কাজ শুরু করি।
    শুরুটা মোটেও ভালো ছিলোনা, খুব কাটাযুক্ত ছিলো, যার ধরুণ- অগোচরে কেউ রক্তের দালাল আখ্যায়িত করতো, কেউ রক্ত ব্যবসায়ি বলে টিটকারি করতো এমনও হয়েছে সংবদ্ধ হয়ে ছুরিকাঘাত করার মত চেষ্টা চালিয়েছে।
    তোয়াক্কা না করে আমাদের সাংগঠনিক আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালের দিকে।

    রক্তের দালাল নির্মূলে একপ্রকার যোদ্ধ করে গেছি।
    আলহামদুলিল্লাহ কক্সবাজার এখন রক্তের দালালমুক্ত। রাত কিংবা দিন দেখিনি যখন যেভাবে সম্ভব সর্বোচ্চ সময় ব্যয় করে রক্ত যোগাড় করে দিয়ে মানুষের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছি। রাত -২টা-৩টা বাজেও ছুটে গেছি নিজে কিংবা রক্তদাতা নিয়ে।

    তবে সে সময়টায় ব্যাঙ্গের ছাতার মতো এতো এতো সংগঠন ছিলো না।
    এখন কক্সবাজারে ব্লাড রিলেটেড কম হলেও ৫০টিরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে উঠেছে।

    দেখে আলহামদুলিল্লাহ ভালো লাগে যে আমাদের দেখানো পথে অনেকই সারথি হয়েছে। তবে দিন যত যাচ্ছে আশাহত ও ভারাক্রান্ত হয়। যখন দেখি এতো সংগঠন হয়েও আশানুরূপ রক্তদাতা বা রক্ত যোগাড় হয়না।

    যা শুধুমাত্র সংগঠনের পদপদবী ব্যবহারের নিমিত্তে সংগঠন গড়ে উঠেছে। এরি মধ্যে যা কাজ হচ্ছে, তাও অনেকটা আবার ফেসবুক কেন্দ্রিক ।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি, গ্রুপ, একটি পেইজ কিংবা একটি একাউন্ট খুলে রাতারাতি হয়ে যাচ্ছে একটি সংগঠন। মাঠ পর্যায়ে আদৌ তাদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়, প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অস্তিত্ব নেই।

    আবার অন্য দিকে এই মহান প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে এখন নতুন করে দালালদের জন্ম হয়েছে। যারা কিনা “স্বেচ্ছাসেবক “এর রং লাগিয়ে নিজ স্বার্থ হাসিলে জড়াচ্ছে, নিজেকে জাহির করার জন্য কৌশলে বেচে নিয়েছে এই পবিত্র মাধ্যমটি। অথচ যারা কিনা স্বেচ্ছাসেবক’র “স্ব” টা এখনো আয়ত্ত করতে সক্ষম হয়নি।

    এই নামধারী স্বেচ্ছাসেবক গুলা দিনদিন মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে, ইয়াবা সংশ্লিষ্টতা, নারী কেলেংকারী, সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে অর্থ আদায়সহ এমন কোনো অপরাধ নাই তারা জড়াচ্ছেনা। অনেকই আবার রাজনৈতিকদলের হয়ে হরদম কাজ করছে। ফলে প্রকৃত স্বেচ্ছাসেবীদের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে

    একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, উপজেলা বাদ দিলাম সামান্য ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে ২-৩টা একি সংগঠন। যা শুধু পদপদবীর মাধ্যমমাত্র। সাথে এক সংগঠন আরেককে কাদা ছুড়াছুঁড়ি তো আছেই।

    বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কিছু ব্লাড রিলেটেড সংগঠন গড়ে উঠেছে। যা কিনা অনৈতিক কর্মকান্ডে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে আছে। এবং এটিকে আড়াল করবার জন্য বেঁচে নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী মাধ্যমটি।

    যা আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রমাণাদিও হাতে আছে। তাই এই মহান প্ল্যাটফর্মকে পবিত্র রাখতে কিছুদিনের মধ্যে প্রশাসনের সহায়তায় উদ্যোগ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখানে অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্তাগণের নামও রয়েছে।

    সেই সাথে প্রকৃত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলা নিয়ে অল্প দিনের মধ্যে ‘ একটি “সম্মেলিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ” আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।


    মোহাম্মদ আবদুল হালিম

    প্রতিষ্ঠিতা ও এডমিন

    কক্সবাজার ব্লাড ডোনেটিং ক্লাব

    2+

    এডমিন প্যানেল

    100+

    সাধারণ /সহ-কার্যকরী সদস্য

    100+

    কার্যকরী / সহ-এডমিনবৃন্দ

    5+

    উপদেষ্টা পর্ষদ